• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

মুক্তিযোদ্ধাকে বাথরুমে আটকে রেখে মারধর

সিসি ডেস্ক: ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন করায় লক্ষ্মীপুরে মো. নুর মোহাম্মদ (৬৫) নামের এক মুক্তিযোদ্ধাকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বাথরুমে আটকে রেখে মারধর করা হয়েছে বলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার উত্তরজয়পুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুক্তিযোদ্ধাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চৌধুরী।

তিনি বলেন, নুর মোহাম্মদের নেতৃত্বে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনের কৃষি সম্প্রসারণের জমি দখলের চেষ্টা করে। এ বিষয়ে জানতে মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদকে ডেকে আনলে তার ওপর হামলার চেষ্টা করে। এতে জনরোষ সৃষ্টি হলে মুক্তিযোদ্ধাকে নিরাপত্তা দিতে একটি কক্ষে নিরাপদে রাখা হয়।

এদিকে মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ জানান, তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে কমান্ডার ছিলেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্প্রতি তিনি তার এলাকার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সদর ইউএনও বরাবর আবেদন করেন।

অভিযোগটি ইউএনও সমাজসেবা কর্মকর্তাকে তদন্তের জন্য দেন। সেখান থেকে ঘটনাটি জেনে চেয়ারম্যান আবুল কাশেমসহ কয়েকজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এ সময় চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ইউপি কার্যালয়ে তাকে ডেকে নেন।

একপর্যায়ে চেয়ারম্যান, চৌকিদার আবদুল্লাহ, পরান মেম্বার ও স্থানীয় টিপু তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে বাথরুমে আটকে রাখেন। পরে জানালার ফাঁক দিয়ে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পান তিনি।

আবুল কাশেম চৌধুরী জানান, জনরোষ সৃষ্টি হলে মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদকে নিরাপদে রাখতে কার্যালয়ের একটি কক্ষে নিরাপদে বসিয়ে রাখা হয়। তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় আহত হন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ